
রমজান মাসে রোজার সময় কলা (Banana) খাওয়া বেশ উপকারী, কারণ এটি পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং শরীরের জন্য অনেকভাবে সহায়ক। নিচে রোজায় কলার উপকারিতা ও কেন খাবেন তা দেওয়া হলো:
১. এনার্জি বাড়ায়
কলায় প্রাকৃতিক শর্করা (গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ, সুক্রোজ) ও কার্বোহাইড্রেট রয়েছে, যা দ্রুত শক্তি দেয়। সাহরি বা ইফতারে কলা খেলে ক্লান্তি দূর হয়।
২. পানিশূন্যতা রোধ করে
কলায় পটাসিয়াম বেশি থাকে, যা ইলেক্ট্রোলাইট ব্যালেন্স রাখে ও ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধ করে। রোজায় দীর্ঘক্ষণ পানি না খাওয়ার কারণে কলা সাহরি বা ইফতারে খাওয়া ভালো।
৩. হজমে সাহায্য করে
কলায় ফাইবার (আঁশ) আছে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ও পেট পরিষ্কার রাখে। রোজার সময় অনেকের হজমের সমস্যা হয়, তাই কলা খাওয়া উপকারী।
৪. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে
কলার পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম হাই ব্লাড প্রেশার কমাতে সাহায্য করে, যা রোজার সময় দুর্বলতা বা মাথাব্যথা প্রতিরোধে ভালো।
৫. মুড ও ঘুম ভালো রাখে
কলায় ট্রিপটোফ্যান নামক অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে, যা সেরোটোনিন হরমোন তৈরি করে। এতে মানসিক চাপ কমে ও ঘুম ভালো হয় (বিশেষ করে রমজানের ক্লান্তিতে)।
৬. ভিটামিন ও মিনারেলের উৎস
- ভিটামিন B6 – মেটাবলিজম ও ইমিউনিটি বাড়ায়।
- ভিটামিন C – রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
- আয়রন – রক্তশূন্যতা রোধ করে।
কখন খাবেন?
✔ সাহরিতে: কলা + ওটস/দই/খেজুর দিয়ে খেলে সারাদিন এনার্জি থাকবে।
✔ ইফতারে: কলা + দুধ/স্মুদি/খেজুর দিয়ে খেলে দ্রুত শক্তি ফিরবে।
সতর্কতা:
- ডায়াবেটিস রোগীরা পরিমিত খাবেন (কলার শর্করা রক্তে গ্লুকোজ বাড়ায়)।
- বেশি কলা খেলে পেট ফাঁপা হতে পারে।
রমজানে কলা একটি সুপারফুড হিসাবে কাজ করে, তাই সাহরি বা ইফতারে এটি যোগ করুন! 🍌😊
প্রশ্ন: আপনি কি কলা দিয়ে কোনো বিশেষ রেসিপি ব্যবহার করেন? জানাতে পারেন!